La Belle Province

কানাডা, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার

অমিত |||| সুশীল কুমার পোদ্দার

| ২৮ জুন ২০২০, রবিবার, ৯:২৫


অমিত |||| সুশীল কুমার পোদ্দার


১ম পর্ব

অমিত চোখ মেলে তাকায়। এক প্রায়ান্ধকার হিমশীতল কক্ষ। অদূরে লাল-নীল বাতি গুলো জোনাকির মতো জ্বলছে, নিভছে। চারিদিকে এক অশ্রুতপূর্ব নীরবতা। অমিতের মনে হল সে যেন মহাশূন্যের কোন এক অজানা কক্ষপথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হঠাৎ সেই নীরবতা ভেঙ্গে এগিয়ে আসে এক নার্স । হাতে তার ধূমায়িত কফি কাপ। সে ধাতব কণ্ঠে বলে উঠে – গুড মর্নিং CO9837 । অমিত অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। মৃদু প্রতিবাদ করে বলে উঠে- আমি অমিত। নার্স কোন উত্তর না দিয়ে কফির কাপটা নামিয়ে রাখে। কফিটা খেয়ে নাও, এতে ঔষধ মেশানো আছে, খুব শীঘ্র আমাদের সহকর্মী আসবে তোমায় disinfect করতে। অমিত আশ্চর্য হয়ে বলে কেন?, আমার কি হয়েছে, আমি কোথায়? নার্স কোন কথা না বলে দাড়িয়ে থাকে প্রাণহীন মূর্তি হয়ে।

কফির কাপে চুমুক দিতেই মাথাটা ঝিম ঝিম করে ওঠে। এক অবশ করা অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে তার সারা শরীরে। বর্ষার এক পশলা বৃষ্টিতে যেমন মৃতপ্রায় ঘাসগুলো জেগে ওঠে প্রাণের অফুরন্ত শক্তি নিয়ে, তেমনি অমিত অনুভব করে তার মস্তিষ্কের কোষগুলো জেগে উঠতে শুরু করেছে। তার মনের পর্দায় ভেসে উঠে যমুনার জলে নিমগ্ন বালুচর, জ্যোৎস্নাপ্লাবিত কাশবন, মায়ের মুখ, মা যেন কি বলছে তাকে, ম্যানহাটানের বিরাট বিরাট অট্টালিকা, জনশূন্য পথ ঘাঁট, টেলিফোন, হাসপাতাল। কানে আসে কে যেন ডুকরিয়ে কাঁদছে। অমিত চিৎকার করে বলে উঠে – কে কাঁদছে, কে কাঁদছে অমন করে, কে, কে?

এক জোড়া নার্স তার পাশে দাড়িয়ে। একজন এগিয়ে এসে তার বাহুর আস্তিন গুটিয়ে দিয়ে টিকার মতো কি যেন এক ঔষধ ঢুকিয়ে দেয় তার শরীরে। আরেকজন এসে খাইয়ে দেয় তিক্ত এক ঔষধ। অমিত আবারো তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে । তার মস্তিষ্ক শান্ত হতে শুরু করেছে। অমিত প্রায় জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে , অদূরে এক বিরাট ফ্যাক্টরি। সে দাড়িয়ে আছে এক কনভেয়ার বেল্টের সামনে, সে কনভেয়ার বেল্ট বেয়ে আসছে কোন প্রাণীর সারি সারি মৃতদেহ। অমিতের মনে পড়ে এইতো সেই মিট প্রসেসিং ফ্যাক্টরি যেখানে সে কাজ করতো তার সহকর্মীর ম্যাক্সের সাথে। ম্যাক্সের ভীষণ অসুখ, তাকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছিল সেদিন। কাজ করতে করতে সে লুটিয়ে পড়েছিল মাটিতে । সে শুনতে পায় এম্বুলেন্সের শব্দ। ওর বন্ধুকে কিছু মানুষ , গায়ে তাদের অদ্ভুত পোশাক, মুখ আবৃত মাস্কে, তুলে নিয়ে যায়। অমিত ছুটে গিয়েছিল হাসপাতালে, ততক্ষণে ম্যাক্স চলে গেছে। হাসপাতালে ওর গার্ল ফ্রেন্ড এসেছিল ; হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেউ ম্যাক্সের দেহ দেখার অনুমতি দেয়নি।ও বাড়ীতে এসে অনেক করে কেঁদেছিল। ক’দিন যাবত তার শরীরটাও ভালো যাচ্ছে না। রাতে জ্বর নিয়ে মার সাথে কথা হয়েছিল। মা অনেক করে কেঁদেছে; বাবা চলে আয়। তোদের আমেরিকাতে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ ভাবে, সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকি, বাবা এ বৃদ্ধ বয়সে দুশ্চিন্তা আর নিতে পারছি না, তোর কিছু হলে আমি যে মরে যাবো, বাবা। অমিত মাকে মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিল, ভালো আছি মা, তোমরা সাবধানে থেকো। খুব শীঘ্র দেশে ফিরব। অমিত তন্দ্রার মাঝেই নিজকে প্রশ্ন করে আমি কোথায়? আমি কি পৌঁছেছি আমার দেশে? কে যেন উত্তর দেয় – তুমি কানাডায়।

অমিত চোখ মেলে তাকায়। তার পাশে ডাক্তার দাড়িয়ে। ডাক্তার তাকে উত্তেজিত হতে মানা করে। তুমি এখন কানাডার Cryonics Institute এ। আমরা  এক সুরক্ষিত বিশেষ স্থাপনায় তোমার সাথে। আজ তুমি তোমার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে। তোমার সব মনে পড়ে যাবে, কিন্তু আমরা দুঃখিত তোমায় আমরা ফিরিয়ে দিতে পারবো না অনেক কিছু – যা তুমি হারিয়ে ফেলেছ চিরতরে। অমিত চিৎকার করে বলে ওঠে – আমার সাথে আর হেয়ালী কোর না, বল আমার কি হয়েছে? ডাক্তার ক্ষণকাল নীরব থেকে বলে – তুমি দীর্ঘ ঘুমে ঘুমিয়ে ছিলে, ইতিমধ্যে পৃথিবী অনেক যুগ এগিয়ে গেছে। তুমি তোমার যৌবন অতিবাহিত করেছ এক অন্ধকার যুগে। পৃথিবীতে এক ভয়াবহ মহামারী করোনা এসেছিল; কেড়ে নিয়েছিল দুই মিলিয়ন মনুস্য জীবন। আমরা তোমায় আই সি ইউ থেকে এখানে এনেছিলেম বাচিয়ে রাখার জন্য। হীমান্কের নিচে ২৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তোমার দেহকে আমরা জমিয়ে রেখেছিলেম আরও অনেক বিখ্যাত মানুষের সাথে, আমাদের হাতে তখন কোন কার্যকরী ভ্যাক্সিন ছিল না বলে।

অমিত অপ্রকৃতস্থের মতো বলে উঠে, আমি তো কোন বিখ্যাত মানুষ নই, তবে আমি কেন? ডাক্তার নিরত্তুর থাকে। অমিত আবারো বলে উঠে – ডাক্তার তুমি যে বললে পৃথিবী অনেক যুগ এগিয়ে গেছে ? আমায় বুঝিয়ে বল। ডাক্তার মনিটরের দিকে আঙ্গুল তুলতেই চোখে পড়ে, মনিটরের পর্দায় ভেসে বেড়াচ্ছে নিষ্ঠুর সময় – ২১২১, ৭ ফেব্রুয়ারি। অমিতের চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে অপ্রতিরুদ্ধ অশ্রু। অমিত জানে, সময় শত বছর এগিয়ে গেছে, সে হারিয়ে ফেলেছে তার প্রিয়জন, আত্মীয় স্বজন, এ বিশাল পৃথিবীতে সে সম্পূর্ণ একা । তাকে চলতে হবে করোনার দুঃসহ স্মৃতিকে সাথে নিয়ে …


২য় পর্ব


… অমিতের এ হ্রদয়ের রক্ত ক্ষরণ, এ বিহ্বলতায় এতটুকু বিচলিত হয় না ডাক্তার। অমিত ডাক্তারের দিকে তাকিয়ে থাকে অসহায় ভাবে।  ডাক্তারের চক্ষু-কোঠর হতে উদগ্রীত নীলাভ তীক্ষ্ণ আলোর দিকে তাকাতেই এক হিম শীতল অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে তার সারা শরীরে। সেই তীক্ষ্ণ আলো ক্ষণকালের জন্য ছড়িয়ে পড়ে শরীরের সর্বত্র। ডাক্তারের বক্ষ পাঁজরের একটা অংশ উন্মুক্ত হয় হঠাৎ করে। সেখানে এক মনিটরের পাতায় অজস্র তরঙ্গের  উঠা নামা, যন্ত্রের ভোতা বিপ বিপ শব্দে  অমিত এতক্ষণে বুঝতে পারে যে ডাক্তারকে সে রক্ত মাংসের মানুষ ভেবে তার মনের কথা খুলে বলেছে সে মানুষ নয়। একটা রক্ত মাংসের মানুষের স্পর্শ, একটা কথা শুনতে এক দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা জাগে মনে। অমিত কান পেতে থাকে অধির হয়ে।

অমি অমি করে তার বন্ধুরা তাকে ডাকছে। গ্রামের অর্ধ জলমগ্ন ফসলী মাঠে ও একটা ফুটবল নিয়ে দাড়িয়ে আছে। বন্ধুরা চিৎকার করে বলছে অমি দাড়িয়ে আছিস কেন?  বল এগিয়ে দে। অমিত মনে মনে ভাবে তাইতো,  সে দাড়িয়ে আছে কেন?  চোখ মেলতেই চোখে পড়ে এক মায়াময় মুখ-  ধান ক্ষেতের বাঁকে একটা  ছাগল কোলে,  মুখে দুর্বোধ্য হাসি নিয়ে দাড়িয়ে। কে ও, কেন ওকে এতো চেনা চেনা মনে হয় – অমিত ভাবতে ভাবতে একরাশ কষ্ট বুদবুদের মতো উঠে আসে কান্নার রূপ নিয়ে। অমিত কাঁদছে। ওর কোন লাজ নেই, লজ্জা নেই, নেই কোন আড়ষ্টতা। যান্ত্রিক জগতের মাঝে ওর চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ে জল,  শ্রাবণের ধারার মতো  অঝোর ধারায়।

অমিতকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে অন্য এক স্থানে। স্থানটা হোটেলের মতো। শত বছর আগে সে যেমন দেখেছে অনেকটা তেমন। ওকে ওর নিজের পোশাক পড়ানো হয়েছে। গায়ে এক সুন্দর ফুলতোলা সার্ট। সার্টের দিকে তাকাতেই স্মৃতিরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। ধান ক্ষেতের বাঁকে সেই লজ্জাবনত আড়ষ্ট মুখ তার দিকে  করুন ভাবে তাকিয়ে থাকে। অমিত পাগলের মতো চিৎকার করে ওঠে – আমায় বলো কে তুমি?  তোমাকে যে আমি চিনি। তুমি আমার অনেক দিনের চেনা। অমিতের চিৎকারে এক বয় দৌড়ে আসে। দরজা খুলে বিনীত ভাবে তাকিয়ে থাকে। স্যার, আপনার কিছু লাগবে?  অমিত ওর কণ্ঠস্বর  শুনে বিহ্বলিত ভাবে তাকিয়ে থাকে। ইশারায় কাছে ডাকে। আমি তোমায় একটু ছুঁয়ে দেখতে চাই, কতো দিন মানুষ দেখি না। ওর কথা শুনে বয়টা দৌড়ে পালায়।

এক বিশাল কনফারেন্স হল রুম। হোটেল থেকে আরও অনেকের সাথে অমিতকে আনা হয়েছে। চারিদিকে অসংখ্য মানুষ,  টিভি সাংবাদিক। আলো ঝলমল ঘরে ওরা একে একে প্রবেশ করে। ওদেরকে বিশেষ সম্মান দেখিয়ে ওদের জন্য বরাদ্যকৃত জায়গায় বসান হয়।  অমিত আবারো দেখে তার পরিচয় CO9837।  একে একে স্টেজে উঠে আসে  অনেক বরেণ্য ব্যক্তি। অমিত কারোকে চেনে না। মুহুমুহু করতালিতে সে বুঝতে পারে ওরা হয়তো অনেক বিখ্যাত ।  মাইক্রোফোনে  ঘোষণা আসে – এবার মঞ্চে আসছেন আমাদের প্রধান অতিথি যিনি ঈশ্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ  ঘোষণা করে বিজয়ী হয়েছেন, যিনি মৃত্যুকে দিয়েছেন ধোঁকা- সেই স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব, ক্রাইয়োনিক্সের  জনক Robert Chester Wilson Ettinger

হুইল চেয়ারে হাস্যজ্জল বৃদ্ধ ইট্টিঞ্জার  মঞ্চে উপস্থিত হতেই অসংখ্য মানুষ দাড়িয়ে যায়। ইট্টিঞ্জার সবাইকে থামিয়ে দিয়ে বললেন – আমি ইট্টিঞ্জার, মিশিগান থেকে ঘুম ভেঙ্গেই আমি আপনাদের কাছে এসেছি। হাঁ আমি ঘুমিয়ে ছিলেম আপনাদের চেয়েও অনেক বেশী দিন। আমি জন্ম নিয়েছিলেম ১৯১৮, ৪ঠা ডিসেম্বর। সেই বার বছর বয়স থাকেই স্বপ্ন দেখতাম একদিন বিজ্ঞান এত বেশী এগিয়ে যাবে যে আমরা মৃত্যুকে পারবো জয় করতে।  আমার এখনো মনে পড়ে   Neil R. Jones  এর বিখ্যাত গল্প জেমিসন স্যাটেলাইটের । গল্পের প্রধান চরিত্র প্রফেসর জেমিসন যিনি ছিলেন এ পৃথিবীর শেষ মানব। তিনি দেখেছিলেন অমরত্বের স্বপ্ন। তার দেহকে একটা ক্যাপসুলে ভরে মহাশূন্যে ছেড়ে দেয়া হয়। মহাশূন্যের হিমশীতল পরিবেশে তার মৃত দেহকে ৪০  মিলিয়ন বছর পর  আবিষ্কার করে কল্পিত যান্ত্রিক মানব ‘ Zorome’ ।   Zorome রা তাকে জাগিয়ে তোলে।  সেই তিরিশ দশকের  বিখ্যাত গল্প জেমিসন স্যাটেলাইট আমার মন জগতে এক বিশাল চিন্তার বীজ রোপণ করে। আপনারা নিশ্চয়ই আইজ্যাক আসিমভের নাম শুনেছেন। আমি ঐ বিখ্যাত ব্যক্তির সাহায্য ও অনুপ্রেরণা পেয়ে প্রকাশ করি  আমার ‘prospect of Immortality’ বইটি।

আজকে  ‘The Immortalist Society’ , মিশিগানের Cryonics Institute, নামে  যে প্রতিষ্ঠানটি দাড়িয়ে আছে  আমি শত বছর আগে আমার  বন্ধুদের সহযোগিতায়  গড়ে তুলেছিলেম। ঈশ্বর হয়তো আমার উপরে খুব  ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। তাই আমি  যখন বিরানব্বই, তখন তিনি একদিন আমায় টেনে নিলেন। আমিও হার মানার পাত্র নই। আমি আশ্রয় নিলেম আমার নিজে গড়ে তোলা  প্রতিষ্ঠানে। সেই ২০১১ থেকে আমি সেখানেই  এক  নাইট্রোজেন গ্যাস  ভর্তি চেম্বারে  -মাইনাস ৩২১ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় ঘুমিয়ে ছিলেম, আমার পাশে ছিল  আমার মা, আমার প্রথমা ও দ্বিতীয়া স্ত্রী, ও আরও পাঁচ শতাধিক মানুষ। ২০২০ এর  মহামারীর সময় এর সাথে যুক্ত হয়েছে পৃথিবী জুড়ে আরও সহস্রাধিক মানুষ, যার মধ্যে আজ অনেকেই এখানে আছেন।

অমিত মন্ত্রমুগ্ধের মতো ইট্টিঞ্জারের গল্প শুনে যায়। তার পাশেই  বসে আছে আলখাল্লা পরিহিত, লাল গেরুয়া পড়া কিছু মানুষ- যাদের এত্তটুকু উৎসাহ নেই উনার বক্তব্যের প্রতি।  কেন যেন আলখাল্লা পড়া লোকটাকে খুব চেনা চেনা মনে হয় অমিতের। কোথায় যেন উনাকে দেখছেন। হঠাৎ কানে আসে শুদ্ধ বাংলা আঞ্চলিক ভাষায় উনি পাশের বোরকা পরিহিত এক ভদ্র মহিলাকে ইঙ্গিত করে বলছেন – এই শুনছো সেলিনা, হালার পুত হুদাই পটর পটর করে। টাকা দিছি, ঘুম পারাইছোস। কথা ছিল করোনা চলে গেলেই আমাদের জাগাইয়া দিবি। জাগান দিতে একশ বছর লাগাইছিস, আবার বড় বড় কথা। এদিকে সহায় সম্পদগুলো কোথায় কি ভাবে আছে,  ভাইব্যা আমার যে রাতে ঘুম আসে না!  সেলিনা, ভাবছি হালার পুতের হাসপাতালটা কিননা নিমু। সেলিনা মৃদু স্বরে বলে – যদি না বেঁচে? বেচবো না মানে – আমার নাম  পাপুল । হালার ইট্টি, মনে হয় মারি এক চাটকি । দুজন অট্টহাসিতে একজন আরেক জনের গায়ের উপর গড়িয়ে পড়ে । হল ভর্তি মানুষ তাকিয়ে থাকে ওদের প্রতি  গভীর হতাশা নিয়ে …


 

।। সুশীল পোদ্দার  ওয়াটারলু, কানাডা নিবাসী ।  ফলিত পদার্থ বিদ্যা ও ইলেকট্রনিক্স,  মাস্টার্স,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মাস্টার্স,   ইহিমে বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান। ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, পি, এইচ, ডি,   ইহিমে বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান। সিস্টেম ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মাস্টার্স,  ওয়াটারলু, বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা ।।

সিএ/এসএস


সর্বশেষ সংবাদ

দেশ-বিদেশের টাটকা খবর আর অন্যান্য সংবাদপত্র পড়তে হলে cbna24.com

সুন্দর সুন্দর ভিডিও দেখতে হলে প্লিজ আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Facebook Comments

cbna

cbna24 5th anniversary small

cbna24 youtube

cbna24 youtube subscription sidebar

Restaurant Job

labelle ads

Moushumi Chatterji

moushumi chatterji appoinment
bangla font converter

Sidebar Google Ads

error: Content is protected !!