দেশের সংবাদ ফিচার্ড

২০ হাজার টাকায় সীমান্ত পারাপার! দার্জিলিং বেড়াতে গিয়ে ‘বাংলাদেশি’ গ্রেফতার, ঠাঁই হল হোল্ডিং সেন্টারে

২০ হাজার টাকায় সীমান্ত পারাপার! দার্জিলিং বেড়াতে গিয়ে ‘বাংলাদেশি’ গ্রেফতার, ঠাঁই হল হোল্ডিং সেন্টারে

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তির নাম সত্যজিৎ রায়। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায়। বুধবার বিকেলে তিনি দার্জিলিং ম্যাল এলাকার ‘সন্দেহজনক ভাবে’ ঘোরাফেরা করছিলেন।

দার্জিলিং বেড়ানোর উদ্দেশ্যে দালালকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতে ঢুকেছিলেন বলে দাবি পুলিশের। ম্যালের সামনে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করা এক যুবককে পাকড়াও করা হয়েছে। ধৃত ‘অনুপ্রবেশকারী’কে পাঠানো হয়েছে হোল্ডিং সেন্টারে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তির নাম সত্যজিৎ রায়। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায়। বুধবার বিকেলে তিনি দার্জিলিং ম্যাল এলাকার ‘সন্দেহজনক ভাবে’ ঘোরাফেরা করছিলেন। সত্যজিৎকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল দার্জিলিং সদর থানার পুলিশ। তাঁর কথাবার্তায় অসঙ্গতি পাওয়া যাওয়ায় গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে, দালালের মাধ্যমে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার ফাঁসিদেওয়ার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে যুবককে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, দিন পনেরো আগে রাতের অন্ধকারে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিন্দোল সীমান্ত টপকে ভারতে ঢোকেন অভিযুক্ত। সে জন্য দালালকে মোটা অঙ্কের টাকা দেন। দিনকয়েক ওই জেলায় মজুরির কাজও করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, উত্তর অথবা দক্ষিণ দিনাজপুরের কোথাও পাকাপাকি ভাবে থাকার জন্য জমি কেনার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশি যুবকের। পাহাড় বেড়াতে গিয়ে তাঁর সমস্ত ছক ফাঁস হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কয়েক জন দালালের নামও জানা গিয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ওই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্ত পারাপার করানো এজেন্ট বা দালালচক্রের তল্লাশি চলছে। নকশালবাড়ির এসডিপিও সৌম্যজিৎ রায় বলেন, ‘‘দার্জিলিংয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন এক যুবক। ওই ব্যক্তিকে পুলিশের সন্দেহ হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, বেআইনি ভাবে ভারতে ঢুকেছেন। প্রশাসনিক নির্দেশ অনুযায়ী, তাঁকে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যা নির্দেশ দেওয়া হবে, সেই মোতাবেক কাজ হবে। আরও তথ্যের জন্য ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’’
পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি নেপালে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তির প্রেক্ষিতে দার্জিলিং জুড়ে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ, এসএসবি এবং গোয়েন্দারা। নেপাল থেকে তাড়া খেয়ে বাংলাদেশি এবং পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে আশ্রয় নিতে পারে— এই আশঙ্কায় নেপাল সীমান্ত ছাড়াও শিলিগুড়ি, দার্জিলিঙে ক্রমাগত নাকা তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সীমান্ত পারপারের ক্ষেত্রেও সতর্কদৃষ্টি রয়েছে প্রশাসনের।

-সূত্রঃ আনন্দবাজার

এসএস/সিএ
সংবাদটি শেয়ার করুন