খেলা

তামিমাকে আর ফেরত নিতে চান না রাকিব

তামিমাকে আর ফেরত নিতে চান না রাকিব

তামিমা তাম্মি নামের এক নারীকে বিয়ে করে তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে ‘ব্যাড বয়’ খ্যাত নাসির হোসেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের দিনে গাঁটছড়া বাঁধেন নাসির-তামিমা। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আলোচিত নাসির-তামিমা জুটির বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

কিন্তু এই বিয়ে নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমস্যা। নাসিরের স্ত্রী তামিমা তাম্মির এর আগেও বিয়ে হয়েছিল। সেই স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়েই তিনি নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তামিমার সেই সংসারে ৮ বছরের একটি মেয়েও আছে। এরই মধ্যে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান আইগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

একবছরের প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১১ সালে বরিশালের যুবক রাকিব হাসানকে বিয়ে করেন তামিমা। বিয়ের পর তামিমার পড়াশোনার দায়িত্ব পড়ে স্বামী রাকিবের ওপর। দীর্ঘদিন পড়াশোনা করানোর পর চাকরিতে যোগ দেন তামিমা। এরপরই বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি। স্বামীকে না জানিয়েই নারায়ণগঞ্জের হিন্দুধর্মাবলম্বী অলককে বিয়ে করেন তামিমা। যদিও মাত্র ৬ মাস পরই বিচ্ছেদ হয় তাদের সেই অবৈধ বিয়ে। স্বামীর কাছে ক্ষমা চেয়ে আবারো সংসার ঠিক রাখেন তিনি।

এরপর ভালোই চলছিলো তাদের সংসার। হঠাৎই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সাথে। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বেরিয়ে চলে মেলামেশা। তবে তাদের এমন কর্মকাণ্ড কিছুটা আঁচ করতে পারেন রাকিব। তখন স্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, নাসিরকে সে কিভাবে চেনে? তামিমা জানান, ‘সে জাস্ট আমার ফ্রেন্ড। আর কিছু না। আমার জন্মদিনে আসছিলো সে। তোমাকে সেই কেক পাঠায়ছিলাম তো।’

এসব বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকে রাকিব বলেন, ‘চাকরির সুবাধে বেশির ভাগ সময় দেশের বাইরে থাকলেও তামিমা এবার কবে দেশে এসেছেন সেটাও জানেন না তিনি। নাসিরের সঙ্গে বিয়ের পরই তিনি জানতে পারেন তার স্ত্রী দেশে এসে নাসিরকে বিয়ে করেছেন।’

স্ত্রীকে আর ফেরত নিতে চান না জানিয়ে রাকিব বলেন, ‘আমি এরইমধ্যে থানায় জিডি করেছি। তামিমাকে আমি আর ফেরত নিতে চাই না। তবে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা ও না জানিয়ে বিয়ে করায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। তবে আপাতত নাসিরের বিরুদ্ধে আমি কোনো ধরনের আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি না।’

এদিকে নাসির ও তামিমার কাণ্ডে রাকিবের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে পুরুষ অধিকার নিয়ে কাজ করা ‘এইড ফর মেন ফাউন্ডেশন’ নামের একটি সংগঠন। তারা ইতোমধ্যে রাকিব হাসানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সংক্রান্তে রাকিবকে আইনগত সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি যেকোনো যৌক্তিক সহায়তায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে সংগঠনটি। শুরুর দিকে এ বিষয়ে অভিযোগ নিতে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের অনীহা থাকায় বিচার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

এইড ফর মেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাদিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রকিব হাসানের স্ত্রী তামিমা তাম্মী তার স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়েই ক্রিকেটার নাসিরকে বিয়ে করেছেন। যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ইস্যুতে নাসির ও তামিমা প্রভাবশালী হওয়ায় রাকিবকে বিভিন্ন রকমের হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আমরা রাকিব হাসানের পাশেই আছি।’

তিনি আরো বলেন, রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে ভিক্টিম রাকিব হাসানের সঙ্গে দেখা করি এবং তার পাশে থাকার আশ্বাস দেই।

এর আগে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি জিডি করেন। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও (ওসি) শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস জিডির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চত করেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে তামিমা তাম্মিকে বিয়ে করেন রাকিব। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যেই তামিমা অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। সেখানে ছয় মাস সংসার করার পর ফিরে আসে। পরে রাকিবের সঙ্গে ক্ষমা চেয়ে পার পায়। কিন্তু গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নতুন করে ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে ছবি ভাইরাল হলে রাকিব জানতে পারেন, তামিমা আবার বিয়ে করেছেন।

শরীয়ত মতে নাসির-তামিমার বিয়ে কি বৈধ হয়েছে? 

তামিমা তাম্মি নামের এক নারীকে বিয়ে করে তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটে ‘ব্যাড বয়’ খ্যাত নাসির হোসেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের দিনে গাঁটছড়া বাঁধেন নাসির-তামিমা। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে আলোচিত নাসির-তামিমা জুটির বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

কিন্তু এই বিয়ে নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন সমস্যা। নাসিরের স্ত্রী তামিমা তাম্মির এর আগেও বিয়ে হয়েছিল। সেই স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়েই তিনি নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে নাসির-তামিমার বিয়ে ইসলামি শরীয়ত মতে বৈধ হয়েছে কি-না সেটা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার ও আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি ইসলামি শরীয়তের আলোকে বিষয়টি ব্যাখা করেছেন। তিনি বলেছেন, নাসিরের বর্তমান স্ত্রী তামিমার সঙ্গে তার পূর্বের স্বামীর যদি শরীয়তসম্মতভাবে ছাড়াছাড়ি না হয়ে থাকে, তাহলে কোনভাবেই নাসিরের সাথে তার এই বিয়ে বৈধ নয়। তবে এর জন্য এখানে আমাদের দুটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে।

প্রথম বিষয় হলো, তামিমার সাথে তার প্রথম স্বামীর ছাড়াছাড়িটা ইসলামী শরীয়ত সম্মতভাবে হয়েছে কি-না। আর ডিভোর্স লেটার পাঠানো এবং সেই ডিভোর্স লেটারটি ইসলামী শরীয়ত সম্মতভাবে বিয়ে বিচ্ছেদ হওয়া পর্যন্ত পৌঁছেছে কি-না, এই বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

আর দ্বিতীয় বিষয় হলো, যদি তার (নাসিরের স্ত্রী তামিমা) শরীয়ত সম্মতভাবে ছাড়াছাড়ি বা বিচ্ছেদ হয়ে থাকে, তবুও তাকে তিন মাস অথবা তিন পিরিয়ডের সময় পর্যন্ত ইদ্দত পালন করতে হবে। সেটা হয়েছে কি-না নিশ্চিত করতে হবে।

এই দুটি বিষয়ের কোন একটি বিষয় যদি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে নাসিরের বিয়ে শুদ্ধ হবে না। বরং এটি একটি অবৈধ বিয়ে।

এখন তাদের জন্য করণীয় হলো, যদি তারা ঘর সংসার করতে চায়, তাহলে আমরা যে দুটি শর্তের কথা বলেছি-এই দুটি শর্ত মেনে তারপর তাদের বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে। অন্যথায় এটি বিয়ে তো হবেই না বরং এটি যিনা-ব্যভিচার হিসেবে সাব্যস্ত হবে।

এর আগে তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি জিডি করেন। উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও (ওসি) শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস জিডির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চত করেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে তামিমা তাম্মিকে বিয়ে করেন রাকিব। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি মেয়ে রয়েছে। এর মধ্যেই তামিমা অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। সেখানে ছয় মাস সংসার করার পর ফিরে আসে। পরে রাকিবের সঙ্গে ক্ষমা চেয়ে পার পায়। কিন্তু গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নতুন করে ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে ছবি ভাইরাল হলে রাকিব জানতে পারেন, তামিমা আবার বিয়ে করেছেন।

-সূত্রঃ কালেরকন্ঠ

 

 


সর্বশেষ সংবাদ

দেশ-বিদেশের টাটকা খবর আর অন্যান্য সংবাদপত্র পড়তে হলে CBNA24.com

সুন্দর সুন্দর ভিডিও দেখতে হলে প্লিজ আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন