শীতল চট্টোপাধ্যায় এর ক বি তা
অনায়াস
যতটা সামনে এসেছে জীবন
ততটাই স্মৃতি পথ।
পিছু ফিরলেই একটা সেই… ছোটা।
কেন ছোটা তা-ও জানা নেই।
ছুটছিল কিশোরী,
উড়ছিল চুল,
দুলছিল ছাপা ফ্রকের ফুল।
ছোটার পিছনে
কেন ছোটা না জেনেই
ছুটেছিল কিশোর এক।
সামনে ছোটা কিশোরীতেই
যেন কিশোরের বইছে প্রাণ।
খেলার ছোটা,স্বপ্নের ছোটা,
আশার ছোটা, হয়তো এর কোনোটাই নয়,
তবুও কৈশোর বেলার এ এক
অমোঘ টানের ছোটা, ধরতে চাওয়ার ছোটা।
কিশোর-কিশোরীর আকুল হওয়ার
এ এক অব্যক্ত ভাষা,
একে-অপরের
কৈশোর রঙ লাগিয়ে নেওয়ার ভাষা,
জানা ছিলনা,অনায়াস কৈশোরফুলে
ফুটে উঠেছে ওরা তখন।
প্রবাহ
মানুষের নাম প্রবাহ,
জাগরণের স্রোতে,
ঘুমের বহমানে।
উড়তে না পারলেও
চোখের দেখাকে কিছুটা ওড়ায়
পাখির ডানায়,
জমা বালির ওপর দাঁড়িয়ে
মনকে ঢেউ করে সাগর জলে,
হাওয়া লাগা ঝাউ পাতায়
মন নড়ে ওঠে দূরে দাঁড়িয়েও।
পাহাড় চূড়োর বরফে
রঙ বদলের পর্যায়ে-পর্যায়ে
বদলে-বদলে বয় মনের আনন্দ,
যখন সব থমকানো রাত্রি,
অচঞ্চল উঠোনে দাঁড়িয়েও
কোনো মানুষ
চলমান চাঁদের সাথে
সচলে জোড়ে নিজেকে।
আমি ও আমার
আমার জন্য আমিই।
আমার পায়েই লেগে আছে আমার পথ।
আমার জীবনভরে যত দেখা
আমার চোখেই।
জীবন জুড়ে-জোড়া উচ্চ শিখর, গভীর খাদ।
আমার হয়েই জন্ম নেয়
আনন্দ, বিষাদ।
চাওয়া -না চাওয়া পেরিয়ে
অনিবার্যের যত কিছু আসা, আসে।
থেকে যায় আমার অবস্থান যেখানে
সেই একান্ত গভীরে।
উত্তর২৪পরগণা
পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ




