টালিউডের জনপ্রিয় গায়িকা দেবলীনা নন্দী এবং তাঁর পাইলট স্বামী প্রবাহ নন্দীর দাম্পত্য সম্পর্ক এখন ভাঙনের মুখে। আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলার মধ্যেই শ্বশুরবাড়ি থেকে ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ফিরিয়ে আনতে গিয়ে অপমানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন এই শিল্পী।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় পুরো ঘটনার বিবরণ দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সঙ্গীতশিল্পী দেবলীনা নন্দী।
এর আগে কয়েক মাস আগে তাঁর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে তিনি রাজারহাটের বাসা ছেড়ে বাবার বাড়িতে ফিরে যান। এরপর থেকেই দাম্পত্য সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে আসে এবং শেষ পর্যন্ত আইনি বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যান তারা।
দেবলীনার অভিযোগ, সম্প্রতি চন্দননগরে অবস্থিত শ্বশুরবাড়িতে আটকে থাকা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ফেরত নিতে তিনি পুলিশের একটি দল ও নিজের বোনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। কিছু জিনিস ফেরত পেলেও সবকিছু তিনি পাননি বলে দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় স্বামীর পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি সোনার হার, যেটি তিনি স্ত্রী ধনের অংশ হিসেবে দাবি করছেন, সেটিও ফেরত দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি নিজের টাকায় কেনা কিছু আসবাবপত্রও শ্বশুরবাড়িতে রয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
সবচেয়ে বিতর্কিত অভিযোগে দেবলীনা বলেন, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর একটি ব্যাগ নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। ওই ব্যাগে অন্তর্বাস ছাড়া অন্য কিছু ছিল না বলেও তিনি দাবি করেন। তবু সেটি খুলে দেখানোর জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাঁর।
একটি ভিডিও বার্তায় দেবলীনা বলেন, “আমাকে রীতিমতো আমার অন্তর্বাস খুলে দেখাতে হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, সেই সময় তাঁর দেবর পরিস্থিতি দেখে হাসছিলেন।
ঘটনার পর তিনি প্রশ্ন তোলেন, “তাহলে বলুন, আসল হেনস্তা কার হয়েছে?”
দেবলীনা আরও জানান, পুরো পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের উপস্থিতিই তাঁকে সহায়তা করে। তবে এর আগে জিনিসপত্র উদ্ধারে পুলিশের সহযোগিতা পর্যাপ্ত ছিল না বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
উল্লেখ্য, প্রায় দেড় বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন দেবলীনা নন্দী ও প্রবাহ নন্দী। তবে সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং বর্তমানে তারা আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ফেরত আনার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে এই দাম্পত্য সংকট এখন আলোচনায় এসেছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক
এফএইচ/বিডি
CBNA24 রকমারি সংবাদের সমাহার দেখতে হলে
আমাদের ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে ক্লিক করুন।
আমাদের ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করতে পোস্ট করুন।



