খেলা

ম্যাচ ফিক্সিং: ১৯ বছর পর জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন পাকিস্তানের সেলিম মালিক

ম্যাচ ফিক্সিং সেলিম মালিক

ম্যাচ ফিক্সিং: ১৯ বছর পর জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন পাকিস্তানের সেলিম মালিক

ক্রিকেটের ইতিহাস সমৃদ্ধকরণে পাকিস্তানের অবদান কম নয়। তবে ভদ্রলোকের খেলাটিকে কলঙ্কিত করতেও যথেষ্ট দুর্নাম রয়েছে তাদের। স্পট ফিক্সিং, ম্যাচ ফিক্সিং, বল টেম্পারিং ইত্যাদি কারণে প্রায়ই খবরের শিরোনাম হন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। যেমনটি হয়েছিলেন সেলিম মালিক। ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগে ২০০০ সালে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ হন তিনি। ১৯ বছর পর সেই পাপের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সাবেক এই ব্যাটসম্যান।

৫৭ বছর বয়সী সেলিম একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, ’১৯ বছরের আগে যা করেছিলাম, তার জন্য অনুতপ্ত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শর্তহীনভাবে সহযোগিতা করে যেতে প্রস্তুত আমি।’

২০০৮ সালে পাকিস্তানের একটি আদালত সেলিম মালিকের নিষেধাজ্ঞা ‍উঠিয়ে নেয়। তবে পিসিবি কিংবা আইসিসি কেউই কোর্টের সিদ্ধান্তকে অফিসিয়ালি স্বীকৃতি বা সমর্থন জানায়নি।

কেন? পিসিবির কাছে সে ব্যাখ্যা আছে। আজীবন নিষেধাজ্ঞার পর ইংল্যান্ডে কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করেন মালিক। সে সাক্ষাতে তার কিছু মন্তব্যে বোর্ডের সন্দেহ হয়। ২০১৩ সালে সেগুলোরই ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল মালিকের কাছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সূত্র জানিয়েছে, ‘মালিক আজ পর্যন্ত সে নোটিশের কোনো জবাব দেয়নি। এ কারণেই আইসিসি ও পিসিবি মালিককে কোনো ক্রিকেট কার্যক্রমে অংশ নিতে দিচ্ছে না।’

২০০৮ সালে পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেট একাডেমি ও ২০১২ সালে পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ হওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন সেলিম মালিক। কিন্তু তার আবেদন আমলে নেয়নি পিসিবি।

দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে কোনো কাজ করতে পারছেন না সেলিম, আক্ষেপটা বেশ পোড়াচ্ছে তাকে। অথচ সম্প্রতি বেশ কয়েকজন ফিক্সারকে পিএসএল খেলার সুযোগ দিয়েছে পাকিস্তান। শারজিল খান তাদের অন্যতম। ২০১০ সালে লর্ডস টেস্টে স্পট ফিক্সিং করে সাজা ভোগ করা মোহাম্মদ আমির তো অনেক আগেই ফিরেছেন জাতীয় দলে।  এ নিয়ে সেলিম মালিক বলেন, ‘মোহাম্মদ আমির, সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ এবং শারজিল খানরা খেলে যাচ্ছে। কিন্তু কোচ হিসেবে আমাকে বিবেচনা করা হয় না। সব সময় অবহেলার চোখে দেখা হয় আমাকে।’

ক্যারিয়ার বিবেচনায় কোচ হওয়ার যোগ্যতা রাখেন সেলিম মালিক। ১৯৮২-১৯৯৯ পর্যন্ত পাকিস্তানের হয়ে ১০৩ টেস্ট ও ২৮৩ ওয়ানডে খেলছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। টেস্টে ৫৭৬৮ ও ওয়ানডেতে ৭১৭০ রান রয়েছে নামের পাশে। দেশের একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দলেরও অন্যতম সদস্য তিনি। লিজেন্ডদের কাতারেই উচ্চারিত হতো সেলিম মালিকের নাম, যদি না ওই কুকীর্তিতে জড়াতেন।

সূত্রঃ মানবজমিন

 

বাঅ/এমএ


সর্বশেষ সংবাদ

দেশ-বিদেশের টাটকা খবর আর অন্যান্য সংবাদপত্র পড়তে হলে cbna24.com

সুন্দর সুন্দর ভিডিও দেখতে হলে প্লিজ আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

 

সংবাদটি শেয়ার করুন