প্রবাসের সংবাদ ফিচার্ড

গ্রিসে উৎসাহ ও উদ্দীপনায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদ্‌যাপন

গ্রিসে উৎসাহ ও উদ্দীপনায় রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদ্‌যাপন

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপিত হলো। এই উপলক্ষ্যে ১৭ই জুলাই ২০২২ সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহ্‌মদ। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি উৎসবমুখর পরিবেশে স্মরণ করেন বাংলা সাহিত্যের দুই পুরোধা ব্যক্তিত্বকে। রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্র-নজরুল সাহিত্য পাঠে আগ্রহী করে তোলার জন্য অভিভাবকদের আহবান জানান। তিনি বাংলা সাহিত্যে নজরুল ও রবীন্দ্রনাথের অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে এর তাৎর্পয সম্পর্কে আলোচনা করেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য কীর্তির প্রতি আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সবিশেষ গুরুত্বারোপের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গবন্ধু কবিগুরুর বিখ্যাত “আমার সোনার বাংলা” গানকে আমাদের জাতীয় সংগীত করেছেন এবং কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে নিয়ে এসে আমাদের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করেছেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি নজরুলের সাহিত্যকর্ম ও তাঁর জীবনের নানা দিক নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ করেন এথেন্সস্হ দোয়েল একাডেমির শিক্ষিকা খন্দকার মেভিজ পরমা এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জীবন ও সাহিত্য নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলা-গ্রিক শিক্ষা কেন্দ্রের প্রধান শিক্ষিকা মিসেস সিলভিয়া সাহরীন। এরপর, দূতাবাস পরিবারের সদস্য, এথেন্সস্হ দু’টি বাংলাদেশি স্কুলের শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং দোয়েল সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীদের পরিবেশনায় এবং নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি আরিক আহ্‌মদ ও ঈশিকা খলিফার সঞ্চালনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন শ্রোতারা ।



সংবাদটি শেয়ার করুন