বিশ্ব

ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রতিবেদন: শেখ হাসিনা বিশ্বের ষষ্ঠ প্রভাবশালী নারী রাজনীতিক

প্রভাবশালী নারী
বিশ্বের শীর্ষ প্রভাবশালী ২২ নারী রাজনীতিকের তালিকায় ষষ্ঠ স্থান লাভ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোর্বসের ওয়েবসাইট থেকে নেয়া

বিশ্বের শীর্ষ প্রভাবশালী ২২ নারী রাজনীতিকের তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ষষ্ঠ স্থান লাভ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বের প্রভাবশালী নারীর তালিকায় ২৯তম অবস্থানে রয়েছেন। ফোর্বস ম্যাগাজিনের ২০১৯ সালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রভাবশালী নারী তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল। তিনি প্রভাবশালী ২২ নারী রাজনীতিকের তালিকায়ও শীর্ষে রয়েছেন।

২০১৮ সালে ফোর্বসের প্রভাবশালী ১০০ নারীর তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ২৬তম।
ফোর্বস ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার ব্যাপারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি চতুর্থবারের মতো জয়ী হয়ে টানা তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সর্বশেষ নির্বাচনে তার দল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টিতেই জয়লাভ করে। ১৯৮১ সাল থেকে ৩৮ বছর ধরে বাংলাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা।
১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। এরপর থেকেই শক্ত হাতে দলকে নিয়ন্ত্রণ করছেন শেখ হাসিনা। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষার উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
ফোর্বসের তালিকায় প্রভাবশালী শীর্ষ ১০ নারীর তালিকায় আছেন অ্যাঞ্জেলা মারকেল, ক্রিস্টিন ল্যাগার্ড, ন্যান্সি পেলোসি, আরসুলা ভন দের লেয়েন, মেরি বারা, মেলিন্ডা গেটস, আবিগেইল জনসন, আনা পেট্রিসিয়া বোটিন, গিনি রোমেটি এবং মেরিলিন হিউসন।
প্রভাবশালী নারী রাজনীতিক : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্রভাবশালী শীর্ষ নারী রাজনীতিক জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত সবচেয়ে বড় দেশ জার্মানির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রায় এক দশক। জার্মানিকে তিনি বিশ্বের চতুর্থ শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন।
২২ প্রভাবশালী নারী রাজনীতিকের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন ল্যাগার্ড। তিনি আইএমএফেরও প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইসিবির প্রধান হিসেবে ১৯ দেশের অর্থনৈতিক কর্মপন্থা নির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন, যা ইউরো অঞ্চলের জন্য চ্যালেঞ্জ।
তালিকায় তিন নম্বরে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে চলমান অভিশংসন প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দেশ ও দেশের বাইরে রাজনীতিক হিসেবে তিনি তার সাহসিকতার প্রমাণ।
এছাড়া তালিকায় রয়েছেন ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট আরসুলা ভন ডের লিয়েন, আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা, ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মালা সিতারামন, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা অ্যাডার্ন, ইংল্যান্ডের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন, মার্কিন ফার্স্ট লেডি ইভানকা ট্রাম্প, নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইরনা সোলবার্গ, স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজোন, রুশ সেন্ট্রাল ব্যাংকের প্রধান এলভিরা নাবিউল্লিনা, বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী সফিন উইলমেস, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটি ফ্রেডারিকসেন, ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রী মুলাইনি ইন্দ্রবতি, স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট জুজানা কাপুটোভা, সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনা ব্রানবিক, ইথিউপিয়ার প্রেসিডেন্ট শেলি ওয়ার্ক জিউড, জাতিসংঘের উপমহাসচিব আমিনা জে মোহাম্মদ এবং সুইডেনের পরিবেশকর্মী গ্রেটা থানবার্গ।looking-for-a-job
cbna24-7th-anniversary
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.

3 × three =